সরবরাহ সংকট ও স্থিতিশীল চাহিদার কারণে চলতি বছরের শুরুতে বিশ্ববাজারে কফির দাম রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল। টানা কয়েক বছরের সরবরাহ ঘাটতির পর বৈশ্বিক কফির মজুদ পুনর্গঠন করতে অন্তত দুই বছর ধারাবাহিক ভালো ফলনের প্রয়োজন। সম্প্রতি ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ‘কফি ডিনার অ্যান্ড সামিট’ অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেছেন শিল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ।
তারা জানিয়েছেন, ব্রাজিলে আগামী মৌসুমে উৎপাদন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা আছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এটি পণ্যটির বাজারে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে আশঙ্কা আছে।
ব্রাজিলিয়ান কফি কো-অপারেটিভ কুক্সুপের কমার্শিয়াল সুপারিনটেনডেন্ট লুইজ ফার্নান্দো ডস রেইস রয়টার্সকে বলেন, ‘এ বছর থেকে আগামী বছরের মধ্যে মজুদ পুনর্গঠন সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন অন্তত দুই বছর ধারাবাহিক ভালো ফসল।’
লুইস ড্রেফাস কোম্পানির কফি রিসার্চ ডিরেক্টর চার্লস চিয়াপোলিনো বলেন, ‘চার বছর আগের মতো মজুদ তৈরি করতে অন্তত দুই বছর টানা ভালো ফলন প্রয়োজন। যদিও বৈশ্বিক আবহাওয়া টানা দুই বছর ধরে অনুকূলে না থাকার আশঙ্কাই বেশি।’
রেইস আরো জানান, ২০২৬-২৭ মৌসুমে ব্রাজিল কফি উৎপাদনে ঊর্ধ্বমুখিতা বজায় রাখলেও পরের মৌসুমে ততটা ভালো ফলনের সম্ভাবনা নেই। কারণ দেশটিতে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত অ্যারাবিকা কফি সাধারণত দ্বি-বার্ষিক চক্রে ভালো উৎপন্ন হয়। এক বছর ফলন বেশি হলে পরের বছর তা কমে যায়।